Thursday, April 11, 2013

একখন্ড পোড়া স্মৃতি...



একটা মটোরসাইকেল এর দাম কত হবে, ৭০ হাজার ? ১.৫ লাখ ? ২.৩ লাখ ? সর্বোচ্চ ৩ লাখ ?

তাই না ?

এখন আমাকে বলেন একগুচ্ছ স্মৃতির দাম কত হতে পারে ?
যে স্মৃতিতে থাকতে পারে প্রথম মটোরসাইকেল কিনার দিনটির কথা... বয়ষ্ক মাকে যেদিন জোড় করে হোন্ডায় চড়িয়ে ৫ গজের মতো চালাতে পেরেছিল আবদুল মতিন। আর তা দেখে তার ভাই বোনদের সে কি হাসা হাসি...

বা সেই স্মৃতিটির কথা যেদিন সে প্রথমবারের মতো হোন্ডার পিছনে চড়িয়েছিল তার জীবনসঙ্গিনীকে। লু বাতাসের উড়ন্ত এলোমেলো চুলের সেই স্মৃতির দিনটির কথা কি ভোলা যায় ?

বা সেই স্মৃতিটির কথা যেদিন নিজের আদরের আটকিয়ে আটকিয়ে কথা বলার চেষ্টা করা ছোট্ট মেয়েটিকে হোন্ডায় চড়িয়ে নিয়ে গিয়েছিল কোন এক বৈশাখী মেলাতে। ছোট্ট সেই মেয়েটি হয়তো তার আলতো দুটি হাত দিয়ে চেপে ধরে রেখেছিল তার বাবাকে। আর তার বাবা একনিষ্ঠ ভাবে  ধরে রেখেছিল সেই হোন্ডার দুটি হ্যান্ডেল। চোখের সামনে বড় হয়ে যাওয়া সেই মেয়ে হয়তো গতকাল সকালেও নাস্তার টেবিলে আবদার করেছিল এবারের বৈশাখী মেলাতে নিয়ে যাবার জন্য...

সবই এখন স্মৃতি... একখন্ড পোড়া স্মৃতি...

গতকাল মটরসাইকেলটি নিজের চোখের সামনে পোড়ার সময় হয়তো সেই স্মৃতির দৃশ্যগুলোই  ঝাপসা চোখে বার বার ভেসে আসছিল আবদুল মতিনের... কি কষ্ট... কি কষ্ট...

Tuesday, April 9, 2013

হরতালের দিনগুলোতে একজন সঙ্গী আবশ্যক


হরতালের দিনগুলোতে মেরূল বাড্ডা হইতে কাওরানবাজার সোনারগাঁও মোড় পর্যন্ত সকাল-সন্ধ্যা, আসা-যাওয়ার জন্য একজন সঙ্গী আবশ্যক। সঙ্গীর বয়স, বর্ণ, এবং লিঙ্গ কোন মূখ্য বিষয় নয়, তাই যে কেউ যোগাযোগ করতে পারেন। তবে কাওরানবাজার এলাকার চাকুরিজীবিদের অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। রামপুরা, বনশ্রী এলাকার ব্যক্তিবর্গও চাইলে যোগাযোগ করতে পারেন।


উল্ল্যেখ্য বিষয়সমূহঃ
১। আসা যাওয়ার ভাড়া ভাগাভাগি করে নিতে হবে। এক্ষেত্রে রিকশা দিয়ে আসা যাওয়া করলে ৭০ টাকা এর মতো লাগে, এবং সি.এন.জি দিয়ে আসলে ১০০ টাকার মতো লাগে, অর্থাৎ আগ্রহী ব্যাক্তিকে ৩৫ বা ৫০ টাকার মতো ভাড়া দেওয়া লাগতে পারে।

২। হরতাল ব্যাতিত দিনগুলিতে নিজ নিজ উপায়ে আসা যাওয়া করতে হবে।
৩। একসাথে আসতে হলে, একসাথে যেতেই হবে এরকম কোন বিধিনিষেধ নেই। আমার অফিস ৯ টা থেকে, তাই ৮.২০ কি ৮.৩০ হচ্ছে যাওয়ার সময়। আর আসার সময় হচ্ছে   বিকেল ৫ টা থেকে ৭ টার মধ্যে যেকোন সময়।
৪। শুক্রবার আমার অফিস বন্ধ, তাই শুক্রবার অফ ডে হিসেবে বিবেচিত হবে।


আগ্রহী ব্যক্তিগণ যোগাযোগ করতে পারেন নিন্মোক্ত ফেইসবুক লিঙ্কে মেসেজ পাঠিয়ে।

লিনক:
http://www.facebook.com/Sabbirahmed069
ইমেলঃ trivokal@gmail.com

বিঃদ্রঃ গত ৩০ দিনে ২০ দিনের মতো সি.এন.জি দিয়ে আসা যাওয়া করতে করতে আমার এখন বেহাল অবস্থা। তাই আগ্রহী ব্যক্তিগণ বিষয়টি গুরুত্ব সহকারে নিলে খুশী হবো। খুব প্যারার মইধ্যে আছি।

Monday, April 1, 2013

সাম্প্রতিক দাঙ্গা কিভাবে বাধছে ডিজিটাল বাংলাদেশে তার একটা নমুনা (১৮+)



আজ সকালে অফিসে এসেই দেখি, আমার পরিচিত একজন প্রিয় ব্লগার তার ফেইসবুকে একটা ছবি শেয়ার করেছে  অন্য আরেকটি পেজের। ছবিটি সত্যই অত্যন্ত নৃশংস। যে ই দেখবে তারই মাথায় চট করে রক্ত ঊঠে যাবে। ইচ্ছে করবে যে এই কাজটি করেছে তাকে গুলি করে মেরে ফেলি। তাকে না পেলে তার পরিবারের কাউকে। তার পরিবারের কাউকে না পেলে তার বংশের কাউকে। তার বংশের কাউকে না পেলে তার পুরো গোষ্ঠির কাউকে। আর সবশেষে তার পুরো গোষ্ঠির কাউকে না পেলে তার ধর্মের কাউকে... তবে মারতে কাউকে হবেই...  এবার ছবিটা দেখুন আপনি একবার...


আর এই হচ্ছে সেই পেজের লিঙ্কঃ  (আমি কমেন্ট করার পর পেজটি মুছে ফেলা হয়েছে)


কি ইচ্ছে করছে না এই মুসলমান বাচ্চাগুলোকে যে মেরেছে তার প্রতিশোধ নিয়ে ফেলি এখনই... দেখুন তো আশপাশে খুজে পান কিনা কোন মন্দির বা বোদ্ধ মন্দির... না পেলে খুজে বের করুন একজন বোদ্ধ ধর্মাবলম্বীকে। যার উপর হামলা করে এই নৃশংস হত্যাকান্ডের বিচার পাওয়া যাবে।

কি প্রস্তুত হয়েছেন তো লাঠি সোঠা নিয়ে ?

হামলা করবার আগে একবার কি ঘুরে আসা যাবে নিচের লিঙ্ক থেকে?


আরো কিছু ছবি









দেখুন তো চিনতে পারেন কিনা আগের ছবির মাসুম বাচ্চাগুলোর মুখগুলোকে... চিনতে পেরেছেন ?


ওরা ছিল শ্রীলঙ্কার সংখ্যালঘু তামিলআদিবাসীদের কিছু মানুষ যাদেরকে আজ থেকে আরো ৩ বছর আগে ২০০৯ সালে হত্যা করা হয়েছিল গৃহযুদ্ধের সময়। যা হয়তো আমাদের সাথেও হতে পারে, যদি কিনা এই ধরনের উল্টা-পাল্টা ভুয়া নিউজে দেশের মানুষকে উত্তেজিত করে তোলা যায়।

তাহলে নিশ্চয়ই এখন আর আগের মতো মাথাটা গরম হচ্ছে না, তাই না ? কারণ ওরা তো মুসলমানের বাচ্চা না। আর যেহেতু মুসলমানের বাচ্চা না, তাহলে ওরা তো মানুষের কাতারে পরে না। তাই না ?
এখন আপনি আমাকে বলেন, আপনি কি পরেন তথাকথিত সেই ‘মানুষের কাতারে’ ?
আপনার ধর্ম কি আপনাকে এই শিক্ষা দিয়েছে যে, একটা বিষয়ে ভালোভাবে না জেনে অন্যের উপর দোষ আরোপ করে নিরীহ মানুষকে ধর্মের দোহাই দিয়ে, উষ্কানীমূলক পোষ্ট দিয়ে, যুলুম করে ঘর বাড়ি সব ভেঙ্গে দেওয়া ?

আপনার এতোদিনের অর্জিত শিক্ষা থেকে কি আপনি এতোটুকুও শিখেন নি যে কিভাবে একটা সোর্স এর তথ্য সঠিক না ভুল তা যাচাই করে দেখা যায়। ফেইসবুক, ব্লগ, তুরাগ বাস, আর ৬ নাম্বার বাসে তো ধুপ ধাপ করে অনেক কথাই বলে ফেলেন। একবারও কি ভেবে দেখতে ইচ্ছে করে না, যে কথা গুলো বলেছেন তা আদো সত্য কিনা ?

আপনার একটা ভুল কথার জন্য ভেঙ্গে চুরমার হয়ে যেতে পারে একটা পরিবারের স্বপ্ন। তাই না জেনে শোনে একটা সাম্প্রদায়িক দাঙ্গা ছড়িয়ে দেওয়া কি ঠিক হচ্ছে ?


Saturday, March 30, 2013

এই চিঠিটা আমি দেখতে পেয়েছিলাম একটু আগে ফেইসবুকের একটি ফ্যানপেজে। ফ্যানপেজের নাম উল্ল্যখ করে তাদের প্রমোশন বাড়াতে চাচ্ছি না। তাই নাম উল্ল্যখ করলাম নাম। চিঠিটার একটা কপি আপনাদের দেখাচ্ছি। কিভাবে নিবেন তা আপনার বিষয়। কিন্তু আমি কিছু কথা বলতে চাই এবং তা হয়তোবা চিঠিটার মতোই আপনাদের কাছে হাস্যকর ঠেকাবে। তারপরও লিখছি, মনটাকে হালকা করার জন্য...


আমি এই পোষ্ট টা শেয়ার করছি ফান হিসেবে ধরে নয়, বরং আমার ছবিটা ভালো লেগেছে দেখে পোষ্ট করেছি। আমি জানি না চিঠিটা ফাজলামি করে ইচ্ছাকৃতভাবে বিকৃত করে লেখা হয়েছে কিনা। যদি তা না করা হয়ে থাকে, তাহলে আমি এই চিঠির প্রাপক এবং গ্রাহক উভয়কেই স্যালুট জানাচ্ছি। আপনারা অনেকেই হয়তো যতটা না মজা নিয়ে হাসাহাসি করে চিঠিটার মজা নিচ্ছেন, ঠিক তাঁর বিপরীতে শতগুণ মমতা দিয়ে হয়তো চিঠিটা লেখা হয়েছিল। সেই মমতার ক্ষুদ্র থেকে ক্ষুদ্রাংশের ভাগ হয়তো আপনারা না পেলেও ওই চিঠির গ্রাহকটি ঠিকই পেয়েছে। হতে পারে চিঠিটির গ্রাহক এবং প্রাপক হত দরিদ্র ঘরের একজন মানুষ। হয়তোবা চিঠিটার প্রাপক একজন দিনমজুর, যে কিনা তাঁর সারাটা দিনের পরিশ্রম শেষে যখন তাঁর ময়লা বিছানার চাদর এবং তেল চিটচিঠে বালিসে মাথাটা রেখে গ্রামের বাড়িতে যাবার প্রহর গুনে তখন শক্ত করে বুকের সাথে চেপে ধরে রাখে সেই চিঠিটা। ক্লান্ত... শ্রান্ত দেহে ঘুমনোর আগেই স্বপ্ন দেখতে থাকে তাঁর প্রিয়জনকে নিয়ে। হয়তোবা সে তখন তাঁর অশ্রুমিশ্রিত ঝাপশা চোখে স্পষ্টভাবে দেখতে পায় তাঁর প্রিয়জনের কাঙ্ঘিত মুখটি... যে মুখটি হয়তো সে ধরতে চাইলেও অনেকদিন ধরে ধরতে পারে না... হাতদুটো ধরে বসে থাকতে পারে না। তাই অদ্ভুত একটা শূন্য দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকে চিঠিতে লেখা অক্ষর গুলোতে। প্রতিটা অক্ষর হয়তোবা তখন তাঁর ছুয়ে দেখতে ইচ্ছে করে। অক্ষরগুলোকেই হয়তোবা তখন তাঁর কাছে তাঁর প্রিয়জনের হাতের আঙ্গুল বলেই মনে হয় যে আংগুলোতে কিনা সে এখনো তুলে দিতে পারে নাই নতুন একটা জামা... বা তাঁর নিজের জন্য একটা...

 দীর্ঘদিনের জমাটবাধা একটা কষ্ট নিয়ে হয়তোবা সে ঘুমিয়ে পরে একটা সময় এসে...

.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।.।

কি হাস্যকর একটা অনূভুতি... তাই না ?

Thursday, March 14, 2013

আপনি কি জানেন আপনার জন্মের সময় আপনি কত তম মানুষ ছিলেন ?

জটিল একটা জিনিসের সন্ধান পাইলুম মাত্র... আপনি যদি জানতে চান আপনার জন্মের সময় আপনি কত তম মানুষ ছিলেন আর কতজন তখন জীবিত ছিল... তাহলে নিচের লিঙ্ক থেকে ঘুরে আসতে পারেন।।

http://www.bbc.co.uk/news/world-15391515

আমি ছিলাম 5,295,414,363 তম মানূষ !!!

এখন আমাকে বলেন আপনি কত তম ?

Tuesday, February 12, 2013

শিবিরের কর্মীদের মস্তকে যে বুদ্ধি রইয়াছে, তাহা আমি আগেই জানিতাম... তবে আজ স্বচক্ষে দেখিলাম।

শিবিরের কর্মীদের মস্তকে যে বুদ্ধি রইয়াছে, তাহা আমি আগেই জানিতাম... তবে আজ স্বচক্ষে দেখিলাম।

আমি খোশ মেজাজে আফিসে বসিয়া লাড্ডূ খাইতেছিলাম। আমার আফিস আবার কাওরানবাজার। বসুন্ধারা সিটির পাশেই, BDBL ভবনে। শাহবাগও এইখান হইতে খুব বেশী দূরে নয়। ২০ তলা ভবন বলিয়াই হয়তো জানালা দিয়া উকি মারা মাত্রই শাহবাগ দেখা যায়। শাহবাগ দেখিলেও শাহবাগের সাম্প্রতিক উত্তাপ এখন পর্যন্ত দেখিবার সুযোগ হইয়া উঠে নাই। বিডিজবসের হালকা কাজের চাপে আমার বর্তমান অবস্থা নাস্তানুবাদই বলা চলে। তবে আজ সকাল হইতেই আফিসে আজ আমার কাজের চাপ নাই বলিলেই মনে হয় উত্তম বলা হইবে। বেলা ১০ টা নাগাদ হইতেই লেপটপ খুলিয়া আজাইড়া কাজ করিয়া বেড়াইতেছি। বেলা ১১ টার দিকে আফিস হইতে ২ পিস লাড্ডু পেলুম। লাড্ডূ বলিতে আমি লাড্ডূ-ই বুঝাইতেছি, শূন্য নহে। বিডিজবস আবার আমাদের সারাদিনে ব্যাপক কিছুই খাওয়াইয়া থাকে, চা, নাস্তা, লাঞ্চ...চা...বিস্কিট... আরো কত কি...

আজ একটু আগে (১১টা নাগাদ) খাওয়াইয়া ছিল ২ পিস 'লাড্ডূ'। আমি লাড্ডূতে কামড় দেওয়া মাত্রই আবিস্কার করিলাম হই হই রই রই আওয়াজ। খাইবার কালে এই রকম আওয়াজ আমি এর আগে কখনোই শুনি নাই। জানালা গলিয়া উকি দেওয়া মাত্রই দেখিলাম 'শিবিরের' একটি শান্ত মিছিল ব্যানার হস্তে লইয়া কাওরানবাজার মোড় অতিক্রম করিতেছে। কাওরানবাজার মোড়ে টহ্লরত পুলিশ ও একটি সম্যক কাজ দেখিয়া মিছিলটার পিছু একটা দৌড়ানি দিল। মিছিলের সহিত পুলিশও দৌড়ে আমার চক্ষুর অন্তরালে মিলিয়া গেল।

এর পরপরই দেখিলাম 'শিবিরের' কেরামতি। আরেকদল আসিয়া পড়িল কাওরানবাজার মোড়ে, হস্তে তাহাদের দেশীয় অস্ত্র। বুঝিলাম আগের ব্যানার মিছিল ছিল নিছক পুলিশ কে ফুলিশ ফানানোর ফন্দি। ততক্ষণে মোড়ে আর কোনো পুলিশের টহ্ল দেওয়ার বাহিনী ছিল না সেইখানে। অতঃপর ভাংচুর কাহাকে বলে, কত প্রকার ও কি কি তাহা স্বচক্ষে দেখিবার সুযোগ হইলো।।

আমি আজি ধন্য।।

Saturday, February 2, 2013

সেডের (sade) সংগীত মূর্ছনা

জাজ সংগীত কি, তা হয়তো আমি মূর্খ কখনোই ধরতে পারতাম না যদি না সেডের গান গুলো শোনা না হতো। হয়তো তার থেকেও নামকরা জাজ সংগীত থেকে থাকবে, কিন্তু তার কন্ঠস্বর আমার ভিতরে গভীর দুঃখ অনুভূতির জন্ম দেয়। সেডের গানগুলোতে আপনি কোন ধুম -ধারামের আওয়াজ পাবেন না, আর যেটা পাবেন তা হচ্ছে জাজ সংগীতের শ্রুতিমধুর বাদ্যযন্ত্রের শব্দ। যাই হোক নিচে তার জনপ্রিয় গানগুলোর ডাউনলোড লিংক দেওয়া হলো, শুধুমাত্রই 'জাজ উইত সফট রক 'ঘরনার ভক্তদের জন্য।
...............................
By your side - sade
..............................
Click This Link
..............................
No ordinary love
..............................
Click This Link
.............................
Babyfather
.............................
http://n1.vmuzike.net/a/sade/Babyfather
.............................
Soldier of love
.............................
http://www.musicisart.ws/music/dec/sade.mp3
.............................
Smooth operator
.............................
Click This Link
.............................
Your love is king
.............................
Click This Link
............................
King of sorrows
............................
Click This Link
............................
The sweetest taboo
............................
Click This Link
............................
Sade - The Moon and The Sky (Remix)(Feat. Jay-z)
.............................
Click This Link).mp3
.............................
Flow
.............................
Click This Link
.....................
.....................
এই গানগুলো আপনার ভালো নাও লাগতে পারে কিন্তু শোনার সময় বিরুক্তি লাগবে না। ভালো থাকবেন।